চট্টগ্রামের টি-২০ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স প্রশ্নের মুখে। ১৮২ রানের টার্গেট seemingly কঠিন হয়ে দাঁড়াল টাইগারদের জন্য। বিশেষ করে, টানা চারটি ম্যাচ হারের পর মিডল অর্ডার ও ব্যাটিং পার্টনারশিপ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ম্যাচের পর তাওহীদ হৃদয় বলেন, ‘পরিকল্পনা ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। যদি বড় কোনো পার্টনারশিপ হতো, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত। আমি এবং জাকের আলীর পার্টনারশিপে ৭০–৮০ রান হলে ম্যাচের ফলাফলে বড় পরিবর্তন আসত।’
তিনি আরও বলেন, ‘উইকেট খুব ভালো ছিল। আইরিশরা তাদের যথাযথ খেলা দেখিয়েছে, আমরা সেই অনুযায়ী খেলতে পারিনি। ১৮০ রানের বেশি স্কোরে আমাদের শর্ট খেলা স্বাভাবিক।’
বাংলাদেশ একই ওভারে তিন উইকেট হারায়, যা হারের দিকে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। ১৩তম ওভারে সাকিব, রিশাদ ও নাসুম আউট হওয়ার পর দলের পরিস্থিতি সংকটজনক হয়। এ অবস্থায় তাওহীদ একপ্রান্ত ধরে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন, যা দলকে কিছুটা স্থিতিশীল করে।
মিডল অর্ডারে খেলার বিষয়ে তাওহীদের কোনও আফসোস নেই। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট আমার একার খেলা নয়। আমি ওপরে খেলি বা মিডলে খেলি, টিমের জন্য সুযোগ পেলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।’
তিনি শেষ চার ম্যাচে ব্যাটিং ভেঙে পড়ার প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটা খেলার অংশ। এর আগে অন্য কেউ ভালো খেলেছে। আমরা টানা চারটি সিরিজ জিতেছি, এক-দুই খারাপ ম্যাচ হতে পারে। দল কখনও হতাশ হয় না।’
তাওহীদের বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায় যে, ব্যাটিং ধাক্কার মূল কারণ কেবল উইকেট নয়, বরং পরিকল্পনার অভাব ও পার্টনারশিপের ঘাটতি। দলের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
