বাংলাদেশ দলের টি–টোয়েন্টি অভিযান শুরু হয়েছে বেশ জটিলভাবে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট হেরে দল নতুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। অধিনায়ক লিটন দাসের পরিকল্পনা ছিল দলকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করা, যাতে বিশ্বকাপের আগে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। তবে বাস্তবতা কিছুটা কঠিন চেহারা নিয়েছে।
চট্টগ্রামে আয়ারল্যান্ড ১৮১ রান করেছে। বাংলাদেশ ব্যাটিং লাইন একেবারে বিপর্যয়ের মধ্যে ছিল। পাওয়ারপ্লেতে চারজন ব্যাটসম্যানই আউট হয়ে গেছেন। তবে তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস কিছুটা ঘাটতি পূরণ করেছে।
এই ম্যাচের পর মনে হচ্ছে, টানা চারটি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ, কিন্তু এখন হারের মুখোমুখি। এটি কি সতর্কবার্তা, তা প্রশ্নবিদ্ধ। তাওহিদ হৃদয় সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “দল ভালো আছে। টি–টোয়েন্টি হলো মোমেন্টামের খেলা। হারার পরও আমরা মনোবল হারাইনি। জয় আসবেই।”
সিরিজ শুরুর আগে শামীম হোসেনের বাদ পড়া বিতর্ক তৈরি করেছিল। লিটন ও কোচ ফিল সিমন্স চাইতেন ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন। তবে নির্বাচক ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন। হৃদয় বলেন, “সব খেলোয়াড় রোটেশনের মাধ্যমে সুযোগ পাচ্ছে। যারা খেলছে তারা প্রস্তুত।”
চট্টগ্রামের উইকেট ভালো ছিল। তাওহিদ বলেন, “আমরা এক্সিকিউশন ঠিকমতো করতে পারিনি। উইকেট সমস্যা ছিল না।” পরবর্তী দুই ম্যাচে বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, যা ফেব্রুয়ারির বিশ্বকাপের আগে দলের সক্ষমতা যাচাই করবে।
বাংলাদেশের জন্য হার মানে কেবল হারের শিক্ষা। লিটনের পরিকল্পনা কি দলের শক্তি বাড়াবে, সেটাই আসল চ্যালেঞ্জ।
