পাকিস্তান সুপার লিগের ১১তম আসর ২০২৬ সালের মার্চে শুরু হয়ে মে মাসে শেষ হওয়ার কথা। এই লিগ পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। তবে এই সূচি পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারে।
ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামের (এফটিপি) অনুযায়ী, পাকিস্তান দল মার্চ-এপ্রিলে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। সফরে তারা খেলবে দুটি টেস্ট ম্যাচ, তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত টেস্টগুলোর গুরুত্বও কম নয়।
জিও সুপার পাকিস্তানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি পিএসএলের সূচি ঘোষণার পর বিসিবির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন। এক বিসিবি সূত্র বলেছে, “সিরিজটি নতুন সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। দুই বোর্ড বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে।”
অন্যদিকে, ম্যাচের সংখ্যা কমানো হবে না। কেবল ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের বিন্যাস সামঞ্জস্য করা হতে পারে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পিসিবি ও বিসিবির পরামর্শের পর দেওয়া হবে।
পিএসএলের সম্প্রসারণও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৬ সালে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দিয়ে শুরু হওয়া লিগটি ২০১৮ সালে ছয়টি দলসহ সম্প্রসারিত হয়। এবার ১১তম আসরে আরও দুটি দল যুক্ত হয়ে লিগটি আরও বিস্তৃত হবে।
বাংলাদেশও বিপিএলে ব্যস্ত হয়ে উঠবে। ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএলের ১২তম আসর। পাকিস্তান সুপার লিগ ও বিপিএলের ক্যালেন্ডার ধাক্কা দিতে পারে, যা পাকিস্তান সফরের সময়সূচি নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি করবে।
ফলে, পাকিস্তান সফরের তারিখ কি স্থির থাকবে, নাকি পিছিয়ে যাবে, তা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এখনই উত্তেজনাপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।